|
ইভিএম
মিশিনে ভোটিং মডেল কুসিক নির্বাচন
আরেফীন
রুমেল,কুমিল্লা (বৃহষ্পতিবার ৫ জানুয়ারি ২০১২, ২২ পৌষ ১৪১৮, ১১
সফর ১৪৩৩):- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম বারের মত শতভাগ প্রযুক্তি
নির্ভর নির্বাচন শুরু হয়েছে। বৃহসপতিবার দেশের অষ্টম ও সবচেয়ে
ছোট কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (কুসিক) নির্বাচন হয়। কুসিক
নির্বাচনে আলোচিত পাঁচ মেয়র প্রার্থী থাকলে ও লাড়াই জমবে
আওয়ামীলীগের সমর্থিত অধ্যক্ষ আফজল খান আনারস ও বিএনপি থেকে
অব্যহতি ও নগরিক প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু হাঁস প্রতীকে। গত
১০ জুলাই কুমিল্লা পৌরসভা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ পৌরসভা
এলাকাসমুহের সমন্বয়ে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন গেজেট প্রকাশ করা
হয়।এতে যোগ হয়েছে কুমিল্লা সদর পৌরসভার ১৮ টি ওয়ার্ড এবং
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ড। সব মিলিয়ে ওয়ার্ড
সংখ্যা ২৭ টি কেন্দ্রে এই প্রথম দেশের কোন নির্বাচন অনুষ্ঠিত
হয়েছে শতভাগ ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে ( ইভিএম) পদ্ধতিতে।

নগরের ৬৫
টি ভোট কেন্দ্রে ২ টি করে ওয়েব ক্যামেরা। ভোটকেন্দ্রে মুঠোফোন
ও ৪শ গজের মধ্যে নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপন ও নিষিদ্ধ করা
নির্বাচন কমিশন।সব ভোট কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)
ভোট গ্রহণ করা হয়েছে।যা আগে কোন ভোট কেন্দ্রে হয়নি। প্রথম ভোটিং
মেশিন ব্যবহার করা হয় পরীক্ষামূলক চট্রগ্রাম সিটি কর্পোরেশন
নির্বাচনে শুধু একটি কেন্দ্রে এরপর নারায়ণঞ্জ সিটি কর্পোরেশন
নির্বাচনে আংশিক কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়।কুমিল্লা সিটি
কর্পোরেশন নির্বাচনের ৬৫ টি কেন্দ্রে নির্বাচন কমিশন ইভিএম
মেশিন ব্যবহার করে,এই মেশিনের ভোট গ্রহনে ইতিহাস তৈরী হয়
কুমিল্লায়। ভোটগ্রহণ সকাল ৮টায় শুরু হয়ে শেষ বিকাল ৪ টায়।
৫৩
বর্গকিলোমিটার আয়তনের নগরে ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৬৯ হাজার ২৭৩ জন।
তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮৩ হাজার ১৯৯ ও নারী ভোটার ৮৬ হাজার
৭৪ জন। ২৭টি ওয়ার্ডে একজন করে ২৭ জন পুরুষ কাউন্সিলর এবং ৯ জন
সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী নির্বাচিত হবেন। প্রতিটি ভোট
কেন্দ্রে নিরাপওার চাদরে ঢেকে দিতে নির্বাচনী মঠে রয়েছে জেলা
প্রশাসনের কর্মকর্ত,ম্যাজিস্ট্রেট,নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা
ছাড়া ও পুলিশ,র্যাব,বিজিবি ছিল।
|