|
বদলে যাচ্ছে
বাংলাদেশ! সজীব ওয়াজেদ জয়ের সু-শিক্ষীত নেতৃত্বে বদলে যাবে
বাংলাদেশ
অরপি
আহমেদ, ওয়াশিংটন ডিসি (বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১১, ১৩ আশ্বিন
১৪১৮, ২৯ শাওয়াল ১৪৩২): - সজীব ওয়াজেদ জয়! বিশ্ব বাঙালীদের কাছে
এ এক অতি পরিচিত নাম! কখনো বা তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনার
সন্তান। কখনো বা তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নাতী। কখনো বা তিনি
আইটি বিশেষজ্ঞ, ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার। আবার কখনো তিনি
বিশ্ব ইয়ং নেতৃত্বের এক মূর্ত প্রতীক। ছোটবেলা থেকেই দেশের
বাইরে বেড়ে ওঠা এবং রাজনীতি থেকে দূরে বহুদূরে বিদেশে শিক্ষার
আলোয় নিজেকে আলোকিত করে তোলার মধ্যেই ব্যস্ত থেকেছেন জীবনের
বেশীর ভাগ সময়। মা জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বড় ছেলে সজীব
ওয়াজেদ জয়কে শিক্ষার আলোয় আলোকীত একজন মানুষ হিসাবে গড়ে তোলার
লক্ষে অত্যন্দ দক্ষতার সাথে সজীব ওয়াজেদ জয়কে রাজনীতির বাইরে
রেখে সু-শিক্ষায় শিক্ষীত করে গড়ে তুলেছেন। ভারতের বাঙ্গালোরের
সেন্ট জোসেফ কলেজে ম্যাথমেটিকস্, ফিজিকস্ এব কম্পিউটার
সাইন্সে ব্যাচেলার, টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার
সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এ ব্যাচেলার এবং সর্বশেষে হার্ভাড
বিশ্ববিদ্যালয়ের জন এফ কেনেডী স্কুল অব গর্ভামেন্টে “ইনোভেশন
ইন গর্ভানেস” কোর্সে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখেন। যার ফলশ্রুতিতে
ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম সজীব ওয়াজেদ জয়কে আড়াইশত বিশ্ব ইউং
নেতৃত্বের একজন হিসাবে নির্বাচিত করেন।
ভারতের
বাঙ্গালোরের সেন্ট জোসেফ কলেজে ম্যাথমেটিকস্, ফিজিকস্ এব
কম্পিউটার সাইন্সে পড়াশোনার সময় থেকেই তিনি কম্পিউটার
ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেন এবং কম্পিউটারের মাধ্যমে
বাংলাদেশে এবং বাংলাদেশীদের জন্য কিছু একটা করার আগ্রহী করে
উঠেন। বিশ্বে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশে একজন সুশিক্ষীত সজীব ওয়াজেদ
জয়ের প্রয়োজন অনেক আগে থেকেই অত্যন্ত জরুরি বা প্রয়োজনীয় হয়ে
উঠেছিল। ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে
স্বপরিবারে হত্যার পড় দীর্ঘ ২০ বছর পর ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ
আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের মা জননেত্রী শেখ
হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করেন। জননেত্রী শেখ
হাসিনা দায়িত্ব গ্রহন করার পর সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশকে একটি
ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত করার সুযোগ দেখতে পান।

১৯৯৬ থেকে
২০০১ সালের নির্বাচনের আগ পর্যন্ত সজীব ওয়াজেদ জয় পর্দার
অন্তরালে থেকে নিজের মেধা ও শিক্ষা দিয়ে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশকে
একটি ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত করার স্বপ্নকে বাস্তবে
রূপান্তরিত করার কাজ শুরু করেন। সজীব ওয়াজেদ জয়ের উদ্যেগে
সাবমেরিন ক্যাবল এর সাথে বাংলাদেশকে যুক্ত করা হয়। কমিউনিকেশন
এন্ড কানেকটিভিটির মাধ্যমে সজীব ওয়াজেদ বিশ্বকে বাংলাদেশের
প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাম গঞ্জের মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে আসেন।
ধনীলোকের ব্যাবহার করা মোবাইল ফোন দেশের সাধারন মানুষের হাতের
মধ্যে চলে আসে স্বল্প মূল্যে।
কিন্তু
২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ হেরে যাবার পর
থমকে যায় ডিজিটাল বাংলাদেশ এর কাজ। ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত
বিশ্ব থেকে আবারো পিছিয়ে পড়তে শুরু করে আমাদের সোনার বাংলাদেশ।
২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে সজীব ওয়াজেদ জয় তাঁর মা জননেত্রী
শেখ হাসিনার উপদেষ্টা হিসাবে ডিজিটাল বাংলাদেশ এর স্লোগানকে
সামনে নিয়ে আসেন এবং ঘোষনা করেন “দিন বদলের সনদ”। ডিজিটাল
বাংলাদেশের রূপকার সজীব ওয়াজেদ জয়ের “দিন বদলে সনদ” দেশের তরুণ
সমাজকে আকর্ষন করে এবং নির্বাচনে বিপুল বিজয় লাভ করে।
এমন অনেক
কিছুই হবে বাংলাদেশে তা কেউ ভাবেনি আগে! ২০০৮ সালের নির্বাচনে
জয়লাভ করার পরপরই সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজে
নিজেকে নিয়োজিত করেন এবং গত পৌনে তিন বছরে বাংলাদেশে এমন অনেক
যুগান্তকারী পরিবর্তন আনেন যা কেউ ভাবেনি আগে। সজীব ওয়াজেদ
জয়ের মেধা ও দক্ষতায় আজ ইন্টারনেট সেবা দেশের গ্রামের মানুষের
হাতের মুঠোয় এসে পৌঁছেছে। গ্রামের একজন কৃষক মোবাইল
ইন্টারনেটের মাধ্যমে এখন কৃষি কাজের বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত
সংগ্রহ করতে পারছে। স্কুলের শিক্ষক আজ কম্পিউটারের মাধ্যমে
তাঁর ছাত্রদেরকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করে তুলছেন। ছাত্ররা আজ
কম্পিউটারের মাধ্যমে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করছেন, পরীক্ষার রেজাল্ট
দেখছেন, ইন্টারনেট ও মোবাইল ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিল পরিশোধ,
টেন্ডার জমা প্রদান, স্বাস্থ্য সেবা থেকে এমন কিছু নাই যা করতে
পারছেন না।
সজীব
ওয়াজেদ জয়ের মেধায় ও পরিশ্রমে তথ্য প্রযুক্তির আলোয় আলোকিত হয়ে
উঠছে আমাদের সোনার বাংলাদেশ এবং এর গ্রাম গঞ্জ। মোবাইল ব্যাংকিং,
এটিএম মেশিন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ট্রেনের টিকেট সংগ্রহ সবই
সম্ভব হচ্ছে আজ। কল সেন্টারের মাধ্যমে হাজার হাজার তরুণের
চাকুরির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। গড়ে উঠছে আইটি সিটি, আইটি পার্ক।
কানেকটিভিটির মাধ্যমে দেশের পিছিয়ে পড়া প্রত্যন্ত অঞ্চলকে
আলোকিত করে তোলা হচ্ছে। এর সবই সম্ভব হচ্ছে একজন আধুনিক
শিক্ষায় সু-শিক্ষীত সৎ নিষ্ঠাবান সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্য।
মা
জননেত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা হিসাবে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বলিষ্ঠ
ভূমীকায় বাংলাদেশ আজ বিদ্যুতের লোডশেডিং মুক্ত হবার পথে। দেশের
ইতিহাসে প্রথমবারের মত ৫২শত মেগাওয়াট বিদ্যুুত জাতীয় গ্রীডে
যুক্ত হয়েছে এবং আগামী ২০১২ সালের মধ্যে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ
উৎপাদেনের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছে।
দেশের যানজট নিরসনে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। উড়াল সেতু,
ব্রীজ, রাস্তা ঘাট নির্মান চলছে ঢাকা সহ সারা বাংলাদেশে যার
পিছনেও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বলিষ্ঠ ভূমীকা রয়েছে।
গত ১৯
সেপ্টেম্বর সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিউইয়র্কে
‘বিশ্ব মহিলা ও শিশু স্বাস্থ্য’ উন্নয়নে অনন্য অবদানের জন্য
সাউথ সাউথ পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। জাতিসংঘ ইকনোমিক কমিশন
ফর আফ্রিকা, জাতিসংঘে এণ্টিগুয়া-বারবুডার স্থায়ী মিশন,
আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন ও সাউথ সাউথ নিউজ যৌথভাবে
এই পুরস্কারের আয়োজন করে। এ বছর এ পুরস্কারের প্রতিপাদ্য ছিল
‘ডিজটাল হেলথ ফর ডিজিটাল ডেভেলপমেণ্ট’। আন্তর্জাতিক
টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন-এর সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামাদুন টোরে
নিউইর্য়কের ওয়ালডর্ফ এস্টোরিয়া হোটেলে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে এই পুরস্কার তুলে
দেন।
পুরস্কার গ্রহণ করে শেখ হাসিনা বলেন, এটি বাংলাদেশের জনগণ ও
তার সরকারের কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি। তিনি এই পুরস্কার দেশের
জনগণকে উৎসর্গ করে বলেন, তাঁর সরকার প্রযুক্তির উৎকর্ষ
ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আগামী এক দশকের মধ্যে একটি মধ্য
আয়ের দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বাস্থ্য
ব্যবস্থার উন্নয়নে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার করছে। মোবাইল
ফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে ম্যালেরিয়া ও যক্ষা রোগের
চিকিৎসাপত্র দেয়া হচ্ছে।
তিনি
বাংলাদেশের শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার কমিয়ে আনার সাফল্যে গত বছর
জাতিসংঘের মিলেনিয়াম ডেভেলপমেণ্ট পুরস্কার গ্রহণের কথা উল্লেখ
করে বলেন, ‘আমরা মনে করি শিশুর সুস্বাস্থ্যের জন্য মায়ের
সুস্বাস্থ্য ও যত্ন দরকার। এজন্য দেশের ১১ হাজার কমিউনিটি
ক্লিনিককে ডিজিটাল স্বাস্থ্য সেবার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।’ তিনি
বলেন, এটি অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয় যে আমরা বনধুদের কাছ থেকে
আমাদের তথ্য প্রযুক্তির কাজের স্বীকৃতি পেয়েছি। এই স্বীকৃতি
আমাদেরকে ইপসিত লক্ষ্য অর্জনের দিকে নিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা
যোগাবে। এই দুটি এওয়ার্ড অর্জনে সজীব ওয়াজেদ জয়ের শিক্ষা, মেধা
ও পরিশ্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমীকা পালন করেছে।
বঙ্গবন্ধু
তণয়া জননেত্রী শেখ হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের সব কাজই ছিল
নিরব। ছিলেন রাজনীতি থেকে দূরে। ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার
হিসাবে ডিজিটাল বাংলাদেশ তথা দেশের সাধারন মানুষের জীবন মান
উন্নয়নেই তিনি সদা ্ব্যস্ত থেকেছেন। কিন্তু এই নিরব মানুষটিই
গত ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের হিলটন হোটেলে জননেত্রী শেখ
হাসিনার সম্মানে আয়োজিত সর্ম্বধনা সভায় অন্য আলোয় আর্বিভুত
হলেন। সজীব ওয়াজেদ জয়ের এই অন্য আলো দেখে উদ্ভাষিত হয়েছেন
সর্ম্বধনা সভায় উপস্থিত হাজারো দর্শকশ্রোতা। জাতিসংঘ সাধারণ
অধিবেশনে শেখ হাসিনার শান্তির দর্শন উপস্থাপনের পরিপ্রেক্ষিতে
একজন দক্ষ রাজনীতিকের মত বিএনপির সমালোচনার জবাব দিলেন অত্যন্ত
সুচারুরূপে এবং দক্ষতার সাথে। সর্ম্বধনা সভায় বিএনপির সমালোচনা
নাকচ করে দিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির
অনেক উন্নতি ঘটেছে। দেশের মানুষ অনেক শান্তিতে রয়েছেন। তবে যারা
দূর্ণীতিবাজ, চুরি ও সন্ত্রাসে লিপ্ত রয়েছে এবং যারা একাত্তরে
মানবতা বিরোধী অপরাধ করেছে তারা শান্তিতে নেই-এটি ঠিক। জয় বলেন,
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশের আপামর গনগনের সার্বিক কল্যাণে
দিনরাত কাজ করে চলেছে।
সজীব
ওয়াজেদ জয় বলেন, বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিকল্পনা দ্রুত
গতিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে। যে গতিতে উন্নয়ন ঘটছে, তা কেউ কল্পনাও
করতে পারেননি। এর সুফল হিসেবেই ‘সাউথ সাউথ এওয়ার্ড’ মিলেছে।
তিনি বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎ গ্রীডে
প্রায় ২২শত মেগাওয়াট বিদ্যুত যোগ করেছে যা বাংলাদেশের ইতিহাসে
প্রথম।
তিনি বলেন,
বাংলাদেশের প্রথমবারের মত দৈনিক বিদ্যুত উৎপাদন ৫২শত মেগাওয়াট
ছাড়িয়ে গেছে। দেশের বিদ্যুত সমস্যা সমাধানে সরকার সারাদেশে
বিদ্যুত কেনদ্র স্থাপনে সর্বোচ্চ অগ্রাধীকার দিয়ে কাজ করে
যাচ্ছে। ২৬টি নতুন বিদ্যুত কেনদ্র জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুত প্রদান
শুরু করেছে। আরো ৩৪টি বিদ্যুত কেনদ্র স্থাপনের কাজ চলছে। এই
বিদ্যুত কেনদ্রগুলো আগামী বছরের মধ্যেই চালু হবে। ২০১২ সালের
মধ্যে দেশের বিদ্যুত সেক্টর দেশের চাহিদার চেয়েও উদ্বৃত্ত
বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে।
যানজটের
কথা উল্লেখ করে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, দেশে এখন রয়েছে যানজট। তবে
বর্তমান সরকার যানজট নিরসনে সর্বোচ্চ অগ্রাধীকার দিয়ে কাজ করে
চলেছে। ইতিমধ্যেই ঢাকা শহর সহ সারাদেশে ব্রীজ, ওভারপাস, বাইপাস,
উড়ালসেতু, হাইওয়ে সম্প্রসারনের কাজ যেভাবে শুরু করেছে সরকার।
যানজট নিরসনে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সুষ্ঠ্যভাবে
সম্পাদন করতে পারলে যানজট সমস্যার দু্রত নিষ্পত্তি হবে বলে আশা
করছি। সর্ম্বধনা সভায় বিরোধীদলের সমালোচনার জবাব সজীব ওয়াজেদ
জয় যেভাবে দিলেন তাতে অনেকেই মনে করছেন মা জননেত্রী শেখ হাসিনা
সজীব ওয়াজেদ জয়কে একজন সু-শিক্ষীত মানুষের পাশাপাশি একজন দক্ষ
রাজনীতিবীদ হিসাবেও গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। সজীব ওয়াজেদ জয়ের
বক্তব্যের পর অনেকেই মন্তব্য করেন “বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের
নেতৃত্ব দেয়ার জন্য সজীব ওয়াজেদ জয় এখন পুরোপুরি তৈরী।”
একজন
মহাথীর মোহাম্মদ বদলে দিয়েছে পুরো মালয়েশিয়াকে। মহাথীর
মোহাম্মদ এর মালয়েশিয়া আজ বিশ্বের বুকে মাথা উচুঁ করে দাড়িয়ে
আছে অত্যন্ত মর্যাদার সাথে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের
মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে
নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিল। সেই বঙ্গবন্ধুর কণ্যা
“ডটার অব পিস” নামে খ্যাত জননেত্রী শেখ হাসিনার ৬৫তম জন্মদিনে
আমাদেরও আশাবাদ বাংলাদেশের একজন সজীব ওয়াজেদ জয় তার শিক্ষা,
মেধা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে বদলে দেবে বাংলাদেশকে। ভিষণ
২০২১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেই দিন আর বেশী দূরে নয় যেদিন সজীব
ওয়াজেদ জয়ের বলিষ্ঠ ও সু-শিক্ষীত নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের
বুকে একটি মর্যাদাশীল জাতি হিসাবে মাথা উচুঁ করে দাড়াঁবে। এমন
অনেক কিছুই হবে কেউ ভাবেনি আগে। বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ! ভিশন
২০২১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সু-শিক্ষীত নেতৃত্বে
বদলে যাবে বাংলাদেশ ।
অরপি
আহমেদ, লেখক/ সাংবাদিক - ওয়াশিংটন ডিসি।
|